মূল লেখায় যান
নাগামাতসু ফারুক永松ファルク
বক্তব্য ও বিবৃতি

বক্তব্য ও বিবৃতি

এই সাইটের প্রতিটি পাতা তাঁর সম্পর্কে; কেবল এই পাতাটি তাঁর। যা বলা হয়েছিল — যেদিন, যেখানে, যাঁদের সামনে — উৎসসহ। যেখানে পূর্ণ পাঠ পাওয়া যায়নি, সেখানে কিছু বসিয়ে ফাঁক ভরা হয়নি: লেখা আছে ‘অংশবিশেষ’।

বক্তৃতাঅংশবিশেষ

জাপান গাইডলাইন সেমিনার ২০২৫-এ সভাপতির বক্তব্য

উপলক্ষ:
জাপানি ভাষার বক্তৃতা প্রতিযোগিতা ও জাপান গাইডলাইন সেমিনার ২০২৫
স্থান:
বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র, ঢাকা
শ্রোতা:
শিক্ষার্থী, অভিভাবক, ভাষা-স্কুলের প্রতিনিধি, গণমাধ্যম

জাপানের বদলে যাওয়া অভিবাসন নীতির সময়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সুযোগ কোথায় — দক্ষ, শৃঙ্খলাপরায়ণ ও সংস্কৃতি-সচেতন শিক্ষার্থী তৈরিতে।

তাঁর নিজের কথায়

জাপানের পরিবর্তনশীল অভিবাসন নীতির এই সময়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সুযোগ হলো দক্ষ, শৃঙ্খলাপরায়ণ ও সংস্কৃতি-সচেতন শিক্ষার্থী তৈরি করা।

— নাগামাতসু ফারুক, জাপানি ভাষার বক্তৃতা প্রতিযোগিতা ও জাপান গাইডলাইন সেমিনার ২০২৫, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫

উৎস: The Business Standard, December 2025গণমাধ্যমে প্রকাশিত উদ্ধৃতি; পূর্ণ বক্তৃতার পাঠ পেলে যুক্ত হবে।

বিবৃতিঅংশবিশেষ

JPT অ্যাওয়ার্ড সেরেমনি ২০২৫-এ বক্তব্য

উপলক্ষ:
JPT অ্যাওয়ার্ড সেরেমনি ২০২৫
শ্রোতা:
JPT-উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান

জাপানি ভাষার সনদ কীভাবে শিক্ষার্থীদের COE পাওয়ার হার বাড়াচ্ছে।

তাঁর নিজের কথায়

JPT সনদের কল্যাণে আমাদের শিক্ষার্থীদের জাপানের Certificate of Eligibility (COE) পাওয়ার হার দিন দিন বাড়ছে।

— নাগামাতসু ফারুক, JPT অ্যাওয়ার্ড সেরেমনি ২০২৫, ৩ আগস্ট, ২০২৫

সংযুক্তি

উৎস: JPT Bangladesh, 3 August 2025

চিঠিঅংশবিশেষ

টোকিওর বাংলাদেশ দূতাবাসে পেশ করা স্মারকলিপি

উপলক্ষ:
রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে BSSAJ-এর পরিচিতি সভা
স্থান:
বাংলাদেশ দূতাবাস, টোকিও
শ্রোতা:
রাষ্ট্রদূত মোঃ দাউদ আলী ও দূতাবাসের কর্মকর্তারা

বারো দফার স্মারকলিপি — শিক্ষার্থীদের রেমিট্যান্সের তথ্য, পাঁচ বছরে ৫৫,০০০ শিক্ষার্থীর পরিকল্পনা, COE-প্রত্যাখ্যাতদের জন্য SSW-এর পথ, ভাষা-পরীক্ষার আসন-সংকট। পূর্ণ বিশ্লেষণ গবেষণা বিভাগে চারটি ব্রিফে।

তাঁর নিজের কথায়

বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর ২,৭০০ থেকে ৩,৫০০ শিক্ষার্থী জাপানে আসছেন, আর এই শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে সরকার প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার রেমিট্যান্স পাচ্ছে। অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, যাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করছেন, তাঁদের নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের কোনো পরিকল্পনা নেই।

সাম্প্রতিক জাপান সরকার সারা বিশ্ব থেকে শিক্ষার্থীর লক্ষ্য ৩ লাখ থেকে ৪ লাখে উন্নীত করেছে, যা আমাদের জন্য একটি বড় সুযোগ। এই প্রেক্ষাপটে আমি, নাগামাৎসু ফারুক, AJLIB ও BSSAJ-কে সঙ্গে নিয়ে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ৫০,০০০–৫৫,০০০ শিক্ষার্থী জাপানে পাঠানোর একটি বৃহৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি।

— নাগামাতসু ফারুক, রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে BSSAJ-এর পরিচিতি সভা, ১৩ মে, ২০২৫

উৎস: Memorandum to the Ambassador of Bangladesh to Japan, May 2025 (Bengali)মূল নথি থেকে দুটি অনুচ্ছেদ; সংখ্যাভিত্তিক অংশগুলো গবেষণা বিভাগে।

কার্যক্রমে দেখুন →