মূল লেখায় যান
নাগামাতসু ফারুক永松ファルク
শিক্ষা · অভিবাসন · বাংলাদেশ–জাপান
নাগামাতসু ফারুক永松ファルクNagamatsu Faruk

সভাপতি, বাংলাদেশি স্টুডেন্টস সাপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন ইন জাপান (BSSAJ) · চেয়ারম্যান, রিজিক ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি লিমিটেড

“শিক্ষার্থীরাই বাংলাদেশ–জাপান সম্পর্কের সবচেয়ে বড় সম্পদ। এ আমার বিশ্বাস নয়, আমার গবেষণার সিদ্ধান্ত — তিন বছরের অভিবাসন-তথ্য আর রেমিট্যান্সের হিসাব একই উত্তর দেয়।”

— নাগামাতসু ফারুক

২০০০ সালে জাপান সরকারের বৃত্তিতে জাপানে আসেন; ২০০২ সাল থেকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জাপানযাত্রার পথ দেখাচ্ছেন; ২০০৯ সাল থেকে জাপানের নাগরিক। আজ তিনি বাংলাদেশি স্টুডেন্টস সাপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন ইন জাপান (BSSAJ)-এর প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি এবং টোকিওর রিজিক ইন্টারন্যাশনালের চেয়ারম্যান — দুই দেশের সরকারের টেবিলে যিনি আবেদন নয়, হিসাব নিয়ে যান।

Nagamatsu Faruk (永松ファルク)
永松ファルク
৯,২৭৫
বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জাপানে এসেছেন (২০২২–২০২৪)

জাপানের বিচার মন্ত্রণালয়ের হিসাব

55,000
পাঁচ বছরে শিক্ষার্থী পাঠানোর লক্ষ্য (২০২৬–২০৩০)

AJLIB ও BSSAJ-এর যৌথ পরিকল্পনা

২৬ এপ্রিল ২০২৫
BSSAJ-এর যাত্রা শুরু

৩০ এপ্রিলের নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত

এই সাইটে যা আছে

গবেষণা ও নীতি-প্রস্তাব

দূতাবাস ও মন্ত্রণালয়ের টেবিলে যা পেশ করা হয়েছে, তা-ই — প্রতিটি সংখ্যা উৎসে বাঁধা, প্রতিটি সুপারিশ কার উদ্দেশে তা স্পষ্ট।

নির্বাচিত প্রকাশনানীতি-বিশ্লেষণ

জাপান থেকে রেমিট্যান্সের সবচেয়ে বড় উৎস শিক্ষার্থীরাই: ২০২২–২০২৪ সালের তথ্য

জাপানের বিচার মন্ত্রণালয়ের হিসাবে তিন বছরে ৯,২৭৫ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জাপানে এসেছেন। একজন শিক্ষার্থীর মাসিক আয়-ব্যয়ের রক্ষণশীল হিসাবেও বছরে প্রায় ১৮ লাখ টাকা সঞ্চয় হয় — যা একজন TITP বা SSW কর্মীর পাঠানো টাকার কয়েক গুণ। অথচ সরকারের জনশক্তি-পরিকল্পনায় শিক্ষার্থীদের কোনো জায়গাই নেই।

পুরোটা পড়ুন

একনজরে

  • তিন বছরে ৯,২৭৫ জন শিক্ষার্থী জাপানে — সরকারি হিসাবের বাইরে থাকা সবচেয়ে বড় রেমিট্যান্স-উৎস।
  • একজন শিক্ষার্থীর বছরে সঞ্চয় প্রায় ১৮ লাখ টাকা — একজন কর্মভিসাধারীর দশ গুণ (মডেল)।
  • COE পেয়েও ২৫.৬% ভিসা বাতিল; নেপালে ১% — ব্যবধানটাই নীতির প্রশ্ন।
কর্মপরিকল্পনা

পাঁচ বছরে ৫৫,০০০ শিক্ষার্থী: ২০২৬ থেকে ২০৩০-এর রূপরেখা

জাপান সরকার বিদেশি শিক্ষার্থীর লক্ষ্য তিন লাখ থেকে বাড়িয়ে চার লাখ করেছে। AJLIB ও BSSAJ-কে সঙ্গে নিয়ে ২০২৬ সাল থেকে প্রতি বছর ১০ শতাংশ বাড়িয়ে, চারটি সেমিস্টারে মোট ৫৫,০০০ শিক্ষার্থী পাঠানোর পরিকল্পনা — সঙ্গে JASSO-অনুমোদিত স্কুলের নেটওয়ার্ক, শিক্ষার্থীদের মান বাড়ানো, আর দূতাবাসের সহযোগিতায় একটি আন্তর্জাতিক শিক্ষা মেলা।

55,000
শিক্ষার্থী, ২০২৬–২০৩০
10%
প্রতি বছর বৃদ্ধি
নীতি-প্রস্তাব

COE-প্রত্যাখ্যাত শিক্ষার্থীদের জন্য SSW-এর পথ: পাঁচ বছরে ৮,২০০-এর বেশি দক্ষ কর্মী

প্রতি সেমিস্টারে আবেদনকারীদের ১৫ থেকে ২০ শতাংশ COE পান না; দ্বিতীয়বার প্রত্যাখ্যাত হলে বেশির ভাগই হাল ছেড়ে দেন। প্রস্তাব: যাঁদের N4 সনদ আছে, তাঁদের Specified Skilled Worker ভিসার পথে নিয়ে যাওয়া, আর বাকিদের N4 শেষ করতে উৎসাহ দেওয়া। বছরে ২৫ শতাংশ বৃদ্ধিতে ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালে ৮,২০৬ জন।

15–20%
সেমিস্টারপ্রতি COE প্রত্যাখ্যান
8206
SSW কর্মী, ২০২৬–২০৩০ (প্রক্ষেপণ)
নীতি-প্রস্তাব

ভাষা-পরীক্ষার আসন-সংকট, আর সব সনদের সমান স্বীকৃতি

JLPT হয় বছরে দুবার, প্রতিবার ৬ থেকে ৭ হাজার আসন, যা দু-তিন দিনেই শেষ হয়ে যায় — ফলে ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসারই সুযোগ পান না। JFT-Basic-এর আসন ফুরায় কয়েক ঘণ্টায়। জাপান সরকার দশটি পরীক্ষাকে স্বীকৃতি দিলেও বাংলাদেশে বাস্তবে JLPT ছাড়া অন্য সনদে ভিসা পাওয়া কঠিন, অথচ অন্য দেশে যেকোনো একটি স্বীকৃত সনদই যথেষ্ট।

2×
বছরে JLPT পরীক্ষা
6–7k
প্রতিবার আসন

সব গবেষণা ও নীতি-প্রস্তাব

২০৩০ সালের কর্মপরিকল্পনা

সাতটি প্রতিশ্রুতি, প্রতিটি মাপা যায়। ২০৩০ সালে এই পাতাই হবে তাঁর বিচারের মানদণ্ড।

  1. 01

    ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালে ৫৫,০০০ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে জাপানে পাঠানো

    বছরভিত্তিক লক্ষ্য: ৯,০০০ (২০২৬) থেকে ১৩,২৩১ (২০৩০)

  2. 02

    COE-প্রত্যাখ্যাত শিক্ষার্থীদের জন্য SSW-এর পথ খোলা

    পাঁচ বছরে ৮,২০৬ জন SSW কর্মী (বছরে ২৫% বৃদ্ধি)

  3. 03

    ভাষা-পরীক্ষার আসন বাড়ানো ও সব স্বীকৃত সনদের সমান মর্যাদা

    আসনের সংখ্যা; COE-পরবর্তী ভিসা অনুমোদন ৭৪% থেকে ৯৯%

  4. 04

    সপ্তাহে ২৮ ঘণ্টার কাজের সীমা নিয়ে নীতি-সংলাপ

    আনুষ্ঠানিক বৈঠক; নীতি-পর্যালোচনার সূচনা

  5. 05

    বৈধ রেমিট্যান্স আর শিক্ষার্থী-দূতাবাস যোগাযোগ

    শিক্ষার্থীদের বৈধ রেমিট্যান্সের পরিমাণ

  6. 06

    আন্তর্জাতিক শিক্ষা মেলা ও JASSO-অনুমোদিত স্কুলের নেটওয়ার্ক

    অংশ নেওয়া স্কুল; বাংলাদেশ থেকে নতুন করে ভর্তি নেওয়া স্কুলের সংখ্যা

সাতটি লক্ষ্য দেখুন

সভাপতির কথা থেকে

BSSAJ গড়ার মূল উদ্দেশ্য একটাই — বাংলাদেশ থেকে যাঁরা জাপানে আসছেন, তাঁরা যেন আসার আগেই ভাষা, সংস্কৃতি, নিয়ম-কানুন আর আচার-আচরণে তৈরি হয়ে আসেন, যাতে জাপানের আধুনিক ও শৃঙ্খলাপূর্ণ সমাজে সফলভাবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন। পাশাপাশি যাঁরা ইতিমধ্যে জাপানের শ্রমবাজারে আছেন, তাঁদের যেকোনো সমস্যায় পাশে থাকা, আর জাপানের ভাষা-স্কুল, বিশ্ববিদ্যালয় ও কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি শিক্ষার্থী ও দক্ষ কর্মী নিতে উৎসাহিত করাও আমাদের লক্ষ্য।

— নাগামাৎসু ফারুক, সভাপতি, BSSAJ

পুরো বাণী পড়ুন

সাম্প্রতিক কার্যক্রম

  1. অনুষ্ঠানআসছে

    নাগোইয়া সেমিনার — জাপানের মধ্যাঞ্চলে BSSAJ-এর সম্প্রসারণ

    ভূমিকা:
    আয়োজক
    স্থান:
    নাগোইয়া

    উৎস: Public posts on his Facebook profile (permission to cite obtained from the user's compiled portfolio document, Aug 2026)

  2. অনুষ্ঠানআসছে

    JLPT-উত্তীর্ণদের সংবর্ধনা ও জাপান গাইডলাইন সেমিনার ২০২৬

    ভূমিকা:
    আয়োজক
    স্থান:
    আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট, সেগুনবাগিচা, ঢাকা

    উৎস: bssaj.org

  3. সরকার ও দূতাবাস

    সেমিনার: “বাংলাদেশ থেকে শিক্ষার্থী নেওয়ায় জাপানি ভাষা-স্কুলগুলোর সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ” — আয়োজক বাংলাদেশ দূতাবাস; BSSAJ-এর চতুর্থ সেমিনার

    ভূমিকা:
    Representative Director, BSSAJ
    স্থান:
    সেন্দাই সিটি ওয়ার রিকনস্ট্রাকশন মেমোরিয়াল হল, মিয়াগি

    লক্ষ্য শ্রোতা: জাপানি ভাষা-স্কুলের শিক্ষক ও পরিচালকেরা।

    উৎস: bssaj.org

  4. অনুষ্ঠান

    JPT অ্যাওয়ার্ড সেরেমনি ২০২৬; আগস্টের JPT পরীক্ষায় ১৫০টি আসন বৃদ্ধির ঘোষণা

    ভূমিকা:
    অংশগ্রহণকারী

    উৎস: Public posts on his Facebook profile (permission to cite obtained from the user's compiled portfolio document, Aug 2026)

সব কার্যক্রম দেখুন

সরাসরি প্রশ্ন, সরাসরি উত্তর

নাগামাতসু ফারুক কে?
নাগামাতসু ফারুক (永松ファルク; আইনি নাম মোহাম্মদ ওমর ফারুক) বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত একজন জাপানি নাগরিক। তিনি বাংলাদেশি স্টুডেন্টস সাপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন ইন জাপান (BSSAJ)-এর প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি এবং টোকিওর রিজিক ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান। ২০০০ সালে জাপান সরকারের বৃত্তি নিয়ে জাপানে আসেন, ২০০৪ সালে রিৎসুমেইকান এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক হন, ২০০২ সাল থেকে শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দিচ্ছেন, আর ২০০৯ সাল থেকে তিনি জাপানের নাগরিক।
BSSAJ কী?
বাংলাদেশি স্টুডেন্টস সাপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন ইন জাপান (BSSAJ) জাপানে থাকা অভিজ্ঞ শিক্ষা-পরামর্শকদের একটি সংগঠন, যা ২০২৫ সালের ২৬ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। সংগঠনটি বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও কর্মীদের জাপানে আসার আগে ভাষা, সংস্কৃতি ও নিয়মকানুনে তৈরি করে, আসার পর পাশে থাকে, আর টোকিওর বাংলাদেশ দূতাবাস ও জাপানের মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে নীতি-সংলাপ চালায়। ওয়েবসাইট: bssaj.org।
তিনি কোন বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করেন?
বাংলাদেশ থেকে জাপানে শিক্ষার্থী ও দক্ষ জনশক্তি পাঠানোর নীতি নিয়ে: শিক্ষার্থী-ভিসা ও COE, শিক্ষার্থীদের রেমিট্যান্স, COE-প্রত্যাখ্যাতদের জন্য SSW-এর পথ, JLPT ও JFT-Basic পরীক্ষার আসন-সংকট, শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে ২৮ ঘণ্টা কাজের সীমা, আর জাপানি ভাষা-স্কুলগুলোকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নিতে উৎসাহিত করা।
২০২২ থেকে ২০২৪ সালে কতজন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জাপানে এসেছেন?
জাপানের বিচার মন্ত্রণালয়ের হিসাবে ৯,২৭৫ জন — ২০২২ সালে ২,৭৬০, ২০২৩ সালে ৩,১৫৫ আর ২০২৪ সালে ৩,৩৬০ জন। একই সময়ে COE পাওয়ার পরও ৩,১৮৫ জনের (২৫.৬ শতাংশ) ভিসা বাতিল হয়েছে।
২০৩০ সাল নিয়ে তাঁর পরিকল্পনা কী?
AJLIB ও BSSAJ-এর সঙ্গে ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালে ৫৫,০০০ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে জাপানে পাঠানো (বছরে ১০ শতাংশ বৃদ্ধি), COE-প্রত্যাখ্যাত N4-সনদধারীদের SSW-এর পথে ৮,২০০-এর বেশি দক্ষ কর্মী, ভাষা-পরীক্ষার আসন বাড়ানো, বৈধ রেমিট্যান্স, দূতাবাসের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক শিক্ষা মেলা, আর বাংলাদেশে BSSAJ টাওয়ার ও রিসার্চ সেন্টার গড়ে তোলা।
তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করব কীভাবে?
ইমেইল [email protected] (ব্যক্তিগত অফিস) বা [email protected] (BSSAJ-সংক্রান্ত); ফোন +81-3-6801-7687; ঠিকানা ২-২৫-১৫ হিরাই, এদোগাওয়া, টোকিও। বক্তৃতা, নীতি-পরামর্শ বা গণমাধ্যমের অনুরোধ যোগাযোগ পাতা থেকে পাঠানো যাবে।