মূল লেখায় যান
নাগামাতসু ফারুক永松ファルク
কর্মপরিকল্পনাউনার নিজের নথি থেকেপ্রকাশ: · পড়তে লাগবে: ২ মিনিট

পাঁচ বছরে ৫৫,০০০ শিক্ষার্থী: ২০২৬ থেকে ২০৩০-এর রূপরেখা

জাপান সরকার বিদেশি শিক্ষার্থীর লক্ষ্য তিন লাখ থেকে বাড়িয়ে চার লাখ করেছে। AJLIB ও BSSAJ-কে সঙ্গে নিয়ে ২০২৬ সাল থেকে প্রতি বছর ১০ শতাংশ বাড়িয়ে, চারটি সেমিস্টারে মোট ৫৫,০০০ শিক্ষার্থী পাঠানোর পরিকল্পনা — সঙ্গে JASSO-অনুমোদিত স্কুলের নেটওয়ার্ক, শিক্ষার্থীদের মান বাড়ানো, আর দূতাবাসের সহযোগিতায় একটি আন্তর্জাতিক শিক্ষা মেলা।

এই নথি নাগামাতসু ফারুক BSSAJ-এর সভাপতি হিসেবে নিজে পেশ করেছেন। লেখায় ‘আমরা’ বলতে BSSAJ।

বাংলাদেশে দুই শতাধিক শিক্ষা-পরামর্শ প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। প্রতিটি যদি বছরে চার সেমিস্টারে গড়ে ৪৫ জন করে পাঠায়, বছরে প্রায় ৯,০০০ শিক্ষার্থী পাঠানো সম্ভব। ২০১৯ সাল থেকে সক্রিয় AJLIB-এর মাধ্যমে ৭০ শতাংশের বেশি, আর AJLIB ও BSSAJ মিলিয়ে ৯০ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী জাপানে আসেন। তাই দুই সংগঠনের যৌথ পরিকল্পনাই এটি বাস্তবায়নের পথ।

বছর ও সেমিস্টার ধরে লক্ষ্য
বছরমোটএপ্রিলজুলাইঅক্টোবরজানুয়ারি
20269,0005,0001,5002,45050
20279,9005,5001,6502,69555
202810,8906,0501,8152,96560
202911,9796,6551,9963,26167
203013,2317,3402,2303,58873
মোট55,00030,5459,19114,959305
স্মারকলিপির সারণি। ২০২৯ সালের মোট ১১,৯৭৯ (মূল নথিতে একটি টাইপো ছিল)।

রেমিট্যান্সের সম্ভাবনা (রক্ষণশীল হিসাব)

বছরশিক্ষার্থীবছরে সম্ভাব্য রেমিট্যান্স (টাকা)
20269,0001,620,000,000
20279,9001,782,000,000
202810,8901,960,200,000
202911,9792,156,220,000
203013,2312,381,580,000
মোট55,0009,900,000,000
শিক্ষার্থীপ্রতি বছরে ১,৮০,০০০ টাকা ধরে — প্রথম ব্রিফে ব্যবহৃত ১৮ লাখের চেয়ে অনেক রক্ষণশীল ধারণা।

যা করতে হবে

  1. AJLIB ও BSSAJ-এর জরুরি যৌথ সভা, আর রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে অনলাইন বৈঠক।
  2. JASSO-অনুমোদিত ভালো মানের ভাষা-স্কুলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ এবং শিক্ষার্থীদের মান বাড়ানো।
  3. দূতাবাসের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক শিক্ষা মেলা — জাপানি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সামনে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা তুলে ধরা।
  4. VFS-এ ভিসার কাগজ জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া ঠিক করা — শিক্ষার্থীরা এক-দুই মাস দেরিতে পৌঁছালে জাপানি স্কুলগুলো পরের সেমিস্টারে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নেবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে।

সুপারিশ

কে কী করবে — সরকার ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের জন্য সুনির্দিষ্ট করণীয়, যার প্রতিটি যাচাই করা যায়।

  1. 01প্রতিটি প্রতিষ্ঠান যেন সেমিস্টারে গড়ে ৪৫ জন শিক্ষার্থী পাঠানোর সক্ষমতায় পৌঁছায়, সে জন্য সরকারি প্রণোদনা ও প্রশিক্ষণ।
  2. 02JASSO-অনুমোদিত মানসম্মত জাপানি ভাষা-স্কুলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক নেটওয়ার্ক।
  3. 03বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতায় ঢাকায় আন্তর্জাতিক শিক্ষা মেলা, যেখানে জাপানি স্কুলের প্রতিনিধিরা সরাসরি শিক্ষার্থীদের দেখতে পাবেন।

উৎস

  • Memorandum to the Ambassador of Bangladesh to Japan, May 2025 (Bengali)২০২৫ সালের মে মাসে টোকিওর বাংলাদেশ দূতাবাসে পেশ করা স্মারকলিপি। এখানে সংখ্যাগুলো হুবহু রাখা হয়েছে, ব্যাখ্যা সংক্ষেপ করা হয়েছে।

উদ্ধৃতি: Nagamatsu Faruk (2025). 55,000 students in five years: the 2026–2030 roadmap. https://nagamatsufaruk.com/en/research/vision-55000-students-2030