কর্মপরিকল্পনা
২০৩০ সালের কর্মপরিকল্পনা
সাতটি লক্ষ্য — একটিও শুভকামনা নয়। প্রতিটি লিখিত: ২০২৫ সালের মে মাসে টোকিওর বাংলাদেশ দূতাবাসে পেশ করা স্মারকলিপিতে, জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠিতে, বা BSSAJ-এর সভাপতির বাণীতে। প্রতিটির সঙ্গে আছে কেন, কীভাবে, কার সঙ্গে — আর ২০৩০ সালে কী দিয়ে তার বিচার হবে।
- 01
২০২৬ থেকে ২০৩০ সালে ৫৫,০০০ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে জাপানে পাঠানো
- কেন
- জাপান বিদেশি শিক্ষার্থীর লক্ষ্য বাড়িয়ে চার লাখ করেছে; রেমিট্যান্স আর দীর্ঘমেয়াদি কর্মসংস্থানে শিক্ষার্থীদের পথই সবচেয়ে লাভজনক।
- কীভাবে
- চার সেমিস্টারে বছরে ১০ শতাংশ বৃদ্ধি; দুই শতাধিক পরামর্শ প্রতিষ্ঠানকে সেমিস্টারে ৪৫ জন পাঠানোর সক্ষমতায় আনা।
- কার সঙ্গে
- AJLIB, BSSAJ, টোকিওর বাংলাদেশ দূতাবাস
- মাপকাঠি
- বছরভিত্তিক লক্ষ্য: ৯,০০০ (২০২৬) থেকে ১৩,২৩১ (২০৩০)
সংশ্লিষ্ট ব্রিফ: পাঁচ বছরে ৫৫,০০০ শিক্ষার্থী: ২০২৬ থেকে ২০৩০-এর রূপরেখা
- 02
COE-প্রত্যাখ্যাত শিক্ষার্থীদের জন্য SSW-এর পথ খোলা
- কেন
- প্রতি সেমিস্টারে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ প্রত্যাখ্যাত হন; দ্বিতীয়বারের পর বেশির ভাগই হাল ছাড়েন।
- কীভাবে
- N4-সনদধারীদের SSW আবেদনে কাউন্সেলিং; বাকিদের N4 শেষ করতে উৎসাহ।
- কার সঙ্গে
- শিক্ষা-পরামর্শ প্রতিষ্ঠানগুলো, BSSAJ
- মাপকাঠি
- পাঁচ বছরে ৮,২০৬ জন SSW কর্মী (বছরে ২৫% বৃদ্ধি)
সংশ্লিষ্ট ব্রিফ: COE-প্রত্যাখ্যাত শিক্ষার্থীদের জন্য SSW-এর পথ: পাঁচ বছরে ৮,২০০-এর বেশি দক্ষ কর্মী
- 03
ভাষা-পরীক্ষার আসন বাড়ানো ও সব স্বীকৃত সনদের সমান মর্যাদা
- কেন
- ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী JLPT-তে বসারই সুযোগ পান না; JLPT ছাড়া অন্য সনদে ভিসা পাওয়া কঠিন।
- কীভাবে
- JLPT ও JFT-Basic প্রতি দুই মাসে; জাপান সরকারের স্বীকৃত দশটি পরীক্ষার সমান মর্যাদা।
- কার সঙ্গে
- পরীক্ষা কর্তৃপক্ষ, জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ঢাকার জাপান দূতাবাস
- মাপকাঠি
- আসনের সংখ্যা; COE-পরবর্তী ভিসা অনুমোদন ৭৪% থেকে ৯৯%
সংশ্লিষ্ট ব্রিফ: ভাষা-পরীক্ষার আসন-সংকট, আর সব সনদের সমান স্বীকৃতি
- 04
সপ্তাহে ২৮ ঘণ্টার কাজের সীমা নিয়ে নীতি-সংলাপ
- কেন
- শহরে জীবনযাত্রার খরচ বৈধ আয় ছাড়িয়ে গেছে; শিক্ষার্থীরা শোষণের ঝুঁকিতে।
- কীভাবে
- জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক; তথ্যভিত্তিক উপস্থাপনা।
- কার সঙ্গে
- জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, BSSAJ-এর নির্বাহী সদস্যরা
- মাপকাঠি
- আনুষ্ঠানিক বৈঠক; নীতি-পর্যালোচনার সূচনা
সংশ্লিষ্ট ব্রিফ: সপ্তাহে ২৮ ঘণ্টা আর জীবনযাত্রার খরচ: শিক্ষার্থীর টিকে থাকার প্রশ্ন
- 05
বৈধ রেমিট্যান্স আর শিক্ষার্থী-দূতাবাস যোগাযোগ
- কেন
- ভুল ধারণায় অনেক শিক্ষার্থী অবৈধ পথে টাকা পাঠান; দেশ বৈধ রেমিট্যান্স হারায়।
- কীভাবে
- এজেন্সি ও দূতাবাসের মাধ্যমে সচেতনতা; SBI রেমিটের সঙ্গে দূতাবাসের বৈঠক।
- কার সঙ্গে
- বাংলাদেশ দূতাবাস, SBI রেমিট, বাংলাদেশের এজেন্সিগুলো
- মাপকাঠি
- শিক্ষার্থীদের বৈধ রেমিট্যান্সের পরিমাণ
সংশ্লিষ্ট ব্রিফ: জাপান থেকে রেমিট্যান্সের সবচেয়ে বড় উৎস শিক্ষার্থীরাই: ২০২২–২০২৪ সালের তথ্য
- 06
আন্তর্জাতিক শিক্ষা মেলা ও JASSO-অনুমোদিত স্কুলের নেটওয়ার্ক
- কেন
- জাপানি স্কুলগুলো বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মান নিজের চোখে দেখলে ভর্তি নিতে আস্থা পায়।
- কীভাবে
- দূতাবাসের সহযোগিতায় ঢাকায় মেলা; স্কুল-প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ; টোকিও ও সেন্দাইয়ে সেমিনার।
- কার সঙ্গে
- বাংলাদেশ দূতাবাস, JASSO-অনুমোদিত ভাষা-স্কুল
- মাপকাঠি
- অংশ নেওয়া স্কুল; বাংলাদেশ থেকে নতুন করে ভর্তি নেওয়া স্কুলের সংখ্যা
- 07
বাংলাদেশে BSSAJ টাওয়ার ও রিসার্চ সেন্টার
- কেন
- ভাষা, সংস্কৃতি ও দক্ষতা-প্রশিক্ষণ আর গবেষণার জন্য একটি স্থায়ী কেন্দ্র দরকার।
- কীভাবে
- দুই-তিন বছরের মধ্যে গড়ে তোলা; সারা দেশে প্রশিক্ষণ ছড়িয়ে দেওয়া।
- কার সঙ্গে
- BSSAJ, অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলো
- মাপকাঠি
- কেন্দ্র চালু হওয়া; বছরে প্রশিক্ষিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা